সেঞ্চুরি করার পরও শত ঊর্ধ্ব মানুষদের অবিশ্বাস্য রেকর্ড
রাজেশ খান্না অভিনীত ‘আনন্দ’ সিনেমার একটি সংলাপ ছিল-“জীবন লম্বা না ,বড়ো হওয়া উচিত” কিন্তু সারা বিশ্বে এমন বহু মানুষের খোঁজ পাওয়া যায় যারা জীবনকে শুধু লম্বাই না একই সাথে বড়ো ও উল্লেখ্য করে তুলেছেন। আয়ু শতকের গণ্ডি পেরোলেও তাদের জীবনীশক্তি কোনও গণ্ডির তোয়াক্কা করেনি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস নিবাসী ১০৩ বছরের আলফ্রেড ব্লাস্ক (Alfred Blaschke) ‘ট্যান্ডেম প্যারাস্যুট জাম্প’ করে “গিনিস বিশ্ব রেকর্ডে” নাম তোলেন। তাঁর প্যারাস্যুট জাম্পে প্রথম প্রয়াস ছিল ১০১ বছর বয়সে আর প্রথম স্কাইডাইভ ছিল ১০০ বছর বয়সে, নিজের জন্মদিনে। সঙ্গী ছিল তাঁর নাতি। জীবন যে বয়সে এসে পথ আটকে দাঁড়ায় অ্যালফ্রেড সে বয়সে দিয়েছেন ডানা মেলে।

টেক্সাসেরই আরেক ১০০ বছর বয়সী অর্ভিল রজার (Orville Roger) পুরুষ বিভাগে ৬০ মিটারের “ড্যাস রানিং” ১৯.১ সেকেন্ডে শেষ করার বিশ্ব রেকর্ড করেন। সঙ্গে অর্জন করেন সোনার পদক।
ওই প্রতিযোগিতাতেই ১০২ বছরের কিশোরী উদ্যোমী জুলিয়া “হুরিকেন” হকিন্স (Julia “Hurricane” Hawkins) ৬০ মিটারের “ড্যাস রানিং” সম্পূর্ণ করেন ২৪ সেকেন্ডে। দুজনের এই একই দিনে এরকম বিশ্ব রেকর্ডে অভিভূত বিশ্ববাসী। তাদের এই দৌড় সাহস জোগায় বয়সভেদে সব জীবন পথগামীদেরকেই।
১০৬ বছরের জ্যাক রেনল্ডস (Jack Reynolds), ব্রিটিশ বাসিন্দা অন্যদিকে তিনটি বিশ্ব রেকর্ডের অধিকারী। “ওলডেস্ট পার্সেন জিপ ওয়্যার লাইন রাইডার”, “ওলডেস্ট পার্সেন নন-ইনভারসান রোলার কোস্টার রাইডার” ও “ওলডেস্ট পার্সেন রিসিভ ফার্স্ট ট্যাটু” প্রতিটিই তাঁর শতোর্ধ্ব বয়সে। যার মধ্যে “ওলডেস্ট পার্সেন রিসিভ ফার্স্ট ট্যাটু” রেকর্ডটি হয় তাঁর ১০৪ বছর বয়সে। ১০৫ বছর বয়সে হয় “ওলডেস্ট পার্সেন নন-ইনভারসান রোলার কোস্টার রাইডার” রেকর্ডটি।
