দীর্ঘদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো দীর্ঘ রাজনৈতিক মন্তব্য বা পোস্ট করা থেকে বিরত থাকলেও, বর্তমান প্রেক্ষাপট ও পারিপার্শ্বিক ঘটনাবলী বিবেচনায় মতামত না দিয়ে থাকা গেল না।
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার যে নির্বাচন সেখানে আমার ধারণা ছিল তৎকালীন মমতা ব্যানার্জি নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস বিধানসভায় আসন সংখ্যা অবশ্যই বেশ হারাবে এবং আমার মতামত এবং বাস্তবিক অভিমত ছিল সেই সংখ্যাটি দিয়ে দাঁড়াবে ১১০ থেকে ১৪০ এর মধ্যে |
তার নানা ধরনের কারণ ছিল, হয়তো যারা এই পোস্টটি করছে অনেকেই সেক্ষেত্রে একমত হবেন যে বর্তমানেও এটিই বাস্তব সংখ্যা বাকিটা গায়ের জুয়ারি করে ছিনিয়ে আনা রেজাল্ট | বর্তমান পশ্চিমবঙ্গে সরকারে যে পরিবর্তন হয়েছে সে ক্ষেত্রে অধিকাংশ লোকেরই একটি কথা তো নিশ্চিত যে সমাজের একেবারে নিম্নবর্গীয় এবং তথাকথিত সাধারণ মানুষ সকলেই নানাভাবে ক্ষোভে ফুটছিল বিগত সরকারের উপর | তার ফল প্রকাশ আমরা অবশ্যই রাস্তাঘাট টোটো অটো, মাছের বাজার, সবজি বাজার, সরকারি বেসরকারি কর্মচারী, এবং ভুক্তভোগী সকলের মুখেই পেয়েছি |
কিন্তু আজকের পোস্টটি করার কারণ সেটিও নয়।
আমার ধারণা ছিল প্রকৃতপক্ষে ক্ষমতা থাকলেও বিজেপি কখনোই পশ্চিমবঙ্গের শাসনভার নিজের হাতে নিতে চাইছিল না, অন্ততপক্ষে আমি খুবই দৃঢ়ভাবে এই মতে বিশ্বাসী ছিলাম |
তার কারণ অবশ্যই এটি নয় যে, পশ্চিমবঙ্গবাসীর অথবা ভোটের রাজনীতির জনমানুষের প্রকৃত ইচ্ছা কি, বরং বিষয়টি আরো গুরু ভাবে আমি অনুধাবন করে যেটি বুঝেছিলাম, যে বিজেপি চাইলেও এবং ক্ষমতা থাকলেও বিশেষ একটি কারণে পশ্চিমবঙ্গ কে দখল করতে চাইবে না।

***** “ তার অন্যতম কারণ, আন্তর্জাতিক পরিসরে ঘটে যাওয়া সমস্ত ঘটনাগুলি, তাদের ক্রোনোলজি এবং সর্বোপরি বিশ্ব অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থার গভীর বিশ্লেষণ “*****
চলুন বিষয়টির খোলসা করে একটু বলি :
- যদি ২০২৬ এর আগে আমি বিশেষ করে ভারত বর্ষ এবং তার আশেপাশের সমস্ত দেশগুলিকে অভ্যন্তরীণ এবং রাজনৈতিকভাবে প্রেক্ষাপটে দেখি সেক্ষেত্রে বুঝতে পারব, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মায়ানমার, বাংলাদেশ, এবং নেপাল :- এই সকল রাষ্ট্রগুলিতেই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার পড়ে গেছে | এবং এটি নিয়ে কোন সন্দেহ নেই তার অন্যতম কারণগুলির মধ্যে একটি হল চীনের অগ্রাসনকে রুখতে এমনকি বিশ্ব রাজনৈতিক মানচিত্রে নিজেদের দাপট বুঝি রাখতে নিরঙ্কুশ ভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে নানাভাবে কন্ট্রোল করার চেষ্টা করে চলেছে চলেছিল এবং আগামীতেও চলবে। এটি তাদের নাম্বার ওয়ান পজিশনে থাকার অন্যতম কারণ, সে ক্ষেত্রে আমার ধারণা ছিল খুব কমন একটি থিওরি যেটি, আমরা সর্বদাই দেখি তথাকথিত ভারতবর্ষের ন্যায় রাষ্ট্রের যেখানে গণতন্ত্র বিরাজমান এবং জনমানুষে নিজেদেরকে স্বাধীন ভাবনার মতন ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে সেখানে রাষ্ট্রের জনগণ সবসময় যেহেতু এই প্রেক্ষিতে চলে যে তারা স্বাধীন। এবং সেহেতু গুণগতমান থেকে পশ্চিমে দুনিয়ায় যেখানে জীবন যাপন উন্নত সেখানে যদি তারা ধরে নেয় যে তাদের উন্নত না হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক ব্যর্থতা সেটি কিন্তু একেবারে ভুলও নয় | , সমাজে দেখা যায় যে অত্যাধিক ধনী, ধনী এবং মধ্যবিত্তের অবসানের পরে গরিব এবং অত্যাধিক গরিব শ্রেণীর পারস্পরিক অবস্থান এবং অসম সম্পদের বন্টন এবং শোষণের যে নগ্ন বাস্তবতা তাকেই উপেক্ষা করতে পারে না | এমত সরকারের প্রতি জনরোস ছিল আছে থাকবে |
এখানেই আমার সন্দেহটি ছিল, যেখানে রাষ্ট্রীয়ভাবে কেন্দ্রীয় সরকার তথা বিজেপি দলটির কাছে সমস্ত রকম তথ্যাদি উন্মুক্ত ছিল সেক্ষেত্রে, এমনকি আমাদের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের পর্যবেক্ষণ যা কিনা পার্শ্ববর্তী সকল রাষ্ট্রের ওপর ছিল তার অনুধাবন করা তথ্যের ভিত্তিতে আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে তারা ক্ষমতায় থাকার মতন সংখ্যা গরিষ্ঠ তাই বিশ্বাসী নাকি, বিরোধী শূন্য গণতন্ত্রে বলিয়ান হওয়ার প্রচেষ্টা করার মতন বোকামোতারা করবে | এক্ষেত্রে শত প্রচেষ্টা করেও আমাদের প্রতিবেশী বৃহৎ শক্তিশালী দেশ চীনের ন্যায় এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং তা পর্যাপ্ত ভাবে কার্যকর করা আগামী এক দশকের প্রচেষ্টাতেও ব্যর্থতা বাদে আর কিছুতেই পরিণত হবে না |
তো এই প্রথম বিষয়ে সারমর্ম হল সমগ্র ভারতে, গেরুয়া রঙের আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে এবং বিরোধী শূন্যতা সৃষ্টি করতে গিয়ে যেভাবে সরকার গঠন করা হয়েছে তাতে রাজনৈতিকভাবে গেরুয়া সাম্রাজ্য আরো বেশি করে বিপদের সম্মুখীন এবং অধিক ভঙ্গুরতার প্রাপ্তি করেছে | জনগণের শাসনভার গ্রহণ করতে গিয়ে বর্তমানে এই শাসক, সেই শ্রেণীতে পরিণত হয়েছে যাকে অনেকেই বলে থাকে শ্রেণী শত্রু বা কমন এনিমি |

- আমরা বিশেষ করে সমগ্র বিশ্বে অন্ততপক্ষে বিগত তিন থেকে চার দশকের ইতিহাস ঘেঁটে দেখলে বুঝতে পারব যেভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পেট্রো ডলার, রাজনীতির সামরিকভাবে আধিপত্য বুঝিয়ে রেখেছে সে আরব স্প্রিং এর গাদ্দাফি হোক, ইরাকের সাদ্দাম হোসেন হোক, কিংবা ভেনেজুয়েলার নিকোলাস মাদুরো আমরা সকলেই জানি এই ঘটনাগুলি কেন হয়েছে বা কিসের জন্য হয়েছে |
এটি নিয়ে কোন সন্দেহ নেই যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে তাদের সব থেকে বড় অস্ত্র তাদের মুদ্রা অর্থাৎ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রীয় ডলারকে কোনমতেই খইস্নু হতে দিতে পারেনা | কিন্তু এই সত্য নিয়ে কোন সন্দেহ নেই যে ইতিহাসের ট্রেন্ড বুঝিয়ে রেখে এই অস্ত্র ধীরে ধীরে তার সাম্রাজ্যের অস্তাচলে | অর্থাৎ যদি বিগত ১০ শতক অনুধাবন করি সেক্ষেত্রে আমরা দেখতে পারবো ডাচ স্প্যানিশ কিংবা ব্রিটিশ কেউই তাদের মুদ্রা কে ৯৮ বছরের বেশি ধরে রাখতে পারিনি এক্ষেত্রে ব্রেটন উডস চুক্তির পরবর্তীতে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দখল সর্বাপেক্ষা কম |
এমত পরিস্থিতিতে ব্রিকস এবং দ্বিতীয় বিশ্বের দেশগুলির সাথে সাথে ভারতবর্ষের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবস্থানগত এবং বিপুল জনসংখ্যা বিন্যাসের কারণে যে বাজারের উপস্থিতি সেখানে কখনোই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতন প্রথম স্থান অধিকারী শক্তি নিজেদেরকে নিরপেক্ষ অবস্থানে রাখতে পারবে না |
এর মধ্যে সর্বাপেক্ষা চমকপ্রদ এবং আকর্ষণীয় সংযোজন অবশ্যই সৌদি আরবের সংযোজন, যা ব্রিক্স এর মধ্যে বিরল | এবং একই সাথে এর কারণ হিসাবে বুঝতে হবে সৌদি আরবের বিশ্ববাজারে পেট্রো পণ্য রপ্তানির দুটি পথ যেখানে একটিতে বিগত বছর ধরেই ইরানের সাথে মার্কিন যুদ্ধের কারণে হরমোস প্রণালী বন্ধ থাকা এবং অপর পক্ষে লোহিত সাগরে ইয়েমেনের হুতি দেরকে ইজরাইল দ্বারা সমর্থন এবং এই মাসেই সৌদি আরবে তাদের দ্বারা তাদের রাজধানীতে আক্রমণ বিশ্ববাজারে আবার মন্দা তথা সমীকরণ পরিবর্তনে বিপুল ভূমিকা নিতে চলেছে।

- উপরন্তু আমরা আরেকটি জিনিস যদি সঠিকভাবে লক্ষ্য করি বুঝতে পারব বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে বিপুল ঋণ এমত অবস্থায় দাঁড়িয়ে, সমগ্র বিশ্ব অর্থনৈতিক বাজারে মার্কিন সরকারের বন্ড বিক্রির একটি ধুম লেগেছে | তার ওপরে যদি আমরা লক্ষ্য করি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বন্ডের সবচেয়ে বড় ক্রেতা অর্থাৎ জাপান শুধুমাত্র যে বন্ড বিক্রির ক্রমান্বয়ে সক্রিয় এবং সফলতার সাথে যে প্রচেষ্টা করেছে, আগামীতেও তা অব্যাহত থাকবে | শুধুমাত্র তাই নয় জাপান তাদের বাৎসরিক সুদের হার যেটি কিনা মৃত ছিল তাকেও সক্রিয় করেছে। এমতো পরিস্থিতিতে দেশ গুলি থেকেও যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি বন্ড যারা কিন্তু তা থেকে বিরত হয়ে চলেছে | এখন এই পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তার সব থেকে বড় অস্ত্র একমাত্র সামরিক বাহিনীর ব্যবহার তথা ফোর্ট নকসে সঞ্চয়িত বিপুল স্বর্ণ ভান্ডারে মূল্যায়ন ছাড়া অন্য কোন মতে আপৎকালীনভাবে সম্ভব নয় | এমত পরিস্থিতিতে বলাবাহুল্য আগামী অর্ধশতকে বিশ্বে সোনার দাম যে তাৎক্ষণিকভাবে দ্বিগুণ বা তার বেশি হবে তা নিয়ে কোন অবকাশ নেই।
- এখন সর্বোপরি সেই প্রথমের প্রশ্ন টিতেই আসি, এটি বলতে কোন দ্বিধা নেই যে যেমন ভারতবর্ষের মাত্র এক শতাংশ মানুষ নিরানব্বই শতাংশ অধিক অর্থ ভোগ এবং নিয়ন্ত্রণ করে ঠিক তেমনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিঃসন্দেহে বিশ্ব অর্থনীতির পরিপ্রেক্ষিতে অনেকটাই রাজনৈতিকভাবে এই এক শতাংশের নাই নিজেদেরকে প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে এবং একান্তভাবেই যে কোনো কিছুর বিনিময়ে এই অবস্থান ত্যাগ করতে নারাজ। তাহলে এই সকল কিছুর সাথে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান কিংবা 2026 সালের বিধানসভা গুলির কি ভূমিকা ?
এখানেই লুকিয়ে রয়েছে এই রোমাঞ্চের সবথেকে বড় ধাঁধা !
যদি আমরা ভারতবর্ষের বিগত কিছু আন্দোলন নিয়ে লক্ষ্য করি অবশ্যই সেখানে দেখবো কৃষক আন্দোলন, আরশোলা আন্দোলন এই সব কিছুগুলি যেভাবে শুরু হয়েছিল তার কারণে আমি যাচ্ছি না কিন্তু যেভাবে দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে সেখানে নিঃসন্দেহভাবে অন্তত এটি প্রমাণিত যে নানাভাবে আমরা লক্ষ্য করেছি পরোক্ষভাবে এমন বেশ কিছু শক্তি এই আন্দোলন গুলির মধ্যে এসে দানা বেঁধে ছিল যেগুলি এই আন্দোলনগুলির লক্ষ্যবস্তুর সাথে সাথে নিজেদের অবস্থান যেদিকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল তা সার্বিক ভারতীয় সার্বভৌমের এবং সমন্বয়ের অন্তরায় |
এখন যদি আমরা এই আন্দোলন গুলির সাথে আগামী দুদিনের শুরু হতে চলা ভারতের নির্বাচন কমিশনের জ্ঞানেশ কুমার কে নিয়ে যে বড় আন্দোলনের প্রক্রিয়া হবে সেটিকে মিলিয়ে নিই তাহলে সার্বিকভাবে আমরা সকলে একমত যে, বিশেষ করে কৃষক আন্দোলনের সময় মার্কিন মুলক তথা মার্কিন প্রভাবিত নানা গোষ্ঠী থেকে আমরা বেশ কিছু প্রক্রিয়া পেয়েছি। আবার ককরোজ বা আরশোলা আন্দোলনের সময়ও মার্কিন মুলক থেকে ফেরত আশা দিপকে সাহেবের অবস্থান কোনভাবে কারোর চোখ এড়াইনি | এখন দেখার বিষয় সবেমাত্র নিউইয়র্ক থেকে চক্ষু পরিচর্যা করে আসা জ্ঞানেশ কুমার নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত ঘটানো অভিষেক ব্যানার্জি সেও বিশেষভাবে যে এক নতুন মাত্রার আন্দোলন সৃষ্টি করবেন তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই |
আমার এই বক্তব্য পেশের মধ্যে আমি কারোর পক্ষ বা বিপক্ষ না নিয়ে শুধু এটি বলব ঘটনাগুলি বাস্তব কিন্তু সামগ্রিকভাবে বিশেষ কিছু শক্তির প্রভাব সবসময়ই আমরা দেখতে পারবো যারা এই ছোট ছোট ঘটনাগুলিকে ইন্ধন বানিয়ে ভারতবর্ষের অভ্যন্তরীণ এবং সার্বভৌমিক সমন্বয়কে আঘাত করে তার বাস্তব এবং বৃহৎ উদ্ভাবনাকে ব্যাহত করতে চাইবে শুধুমাত্র নিজেদের অবস্থানকে বুঝিয়ে রাখার জন্য।
এক্ষেত্রে অবশ্যই শাসকের উচিত সুষ্ঠুভাবে গণতন্ত্রের মান নির্দেশনা এবং জনগণের অধিকার কে মর্যাদা দেওয়া |
পরিশেষে যদি সারমর্ম বলি সে ক্ষেত্রে এটি নিয়ে কোন সন্দেহ নেই সামগ্রিকভাবে পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে বিজেপির অভ্যুত্থান হয়েছে যদি খুব শীঘ্র জন মানুষের দাবানলের মতন কাজ করছে তাকে নিয়ন্ত্রণ না করা যায় সেক্ষেত্রে এই সকল বিরোধী জোট গুলির সমন্বয় ২০২৭ সালে উত্তরপ্রদেশের অমিত শাহ এবং যোগী আদিত্যনাথ এর মধ্যেকার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের দ্বারা বিজেপির কফিনের শেষ পেরেক রূপে ধরা দেবে | সেক্ষেত্রে বিরোধী জোটে যে কেউই মুখ হোক না কেন সেটি কোন মতেই খুব একটা বড় পরিমাপক হবেনা | সর্বোপরি একান্ত ভাবে আমার মতামত অনুযায়ী অতি উগ্র সামগ্রিক সম্প্রসারণ যে বিশ্বের সবথেকে বড় রাজনৈতিক দলের পতনের কারণ তা নিয়ে আমি বর্তমানে শত শতাংশ নিশ্চিত |



