ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৫তম আসর এখন প্রায় শেষের দিকে। IPL 2022-এ ফাইনাল সহ আর মোট চারটি ম্যাচ বাকি আছে, যার মধ্যে দুটি কোয়ালিফায়ার এবং একটি এলিমিনেটর ম্যাচ রয়েছে। গুজরাট টাইটান্স, রাজস্থান রয়্যালস, লখনউ সুপার জায়ান্টস এবং শেষমেশ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর আইপিএলের এই মরসুমে প্লে অফের জন্য নিজেদের যোগ্য বিবেচিত করতে পেরেছে।

এই চারটি দল থেকে, কোন টিমের প্লেয়িং একাদশ কারা হতে চলেছেন? গুজরাট টাইটান্স আপাতত কোনো পরিবর্তনে আগ্রহী হবে বলে মনে হচ্ছেনা। কারণ তারা আপাতত আইপিএলের শ্রেষ্ঠ টিম। এই শ্রেষ্ঠত্বকে ধরে রাখতে তারা পরিবর্তনে বিশ্বাসী নয়। তারা একই টিমের পুনরাবর্তন করতে চান। প্রত্যেকটা প্লেয়ার নিজেদের শ্রেষ্ঠ ফর্মে রয়েছে। দলের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার ফর্ম নিয়ে বিগত কিছু ম্যাচে সমালোচনা হলেও তিনি আবার ফর্মে ফিরেছেন গত ম্যাচে।

রাজস্থান রয়্যালস শুধু একটাই দুশ্চিন্তায় ভুগছে। যশ বাটলারের ফর্ম। আইপিএলের অরেঞ্জ ক্যাপ হোল্ডার এই খেলোয়াড়ের ব্যাট যখন ছন্দে থাকে, বাকি ব্যাটসম্যানরা শুধু উপভোগ করেন ম্যাচটা, তাদের নিজেদের বিশেষ কিছু করতে হয় না। রাজস্থান রয়্যালসও নিজেদের সমতার পরিচয় বরাবর দিয়েছেন। তাই বাটলার ছাড়া কোনো চিন্তা আপাতত নেই বলেই ধারণা করা যাচ্ছে।লখনউ সুপার জায়ান্টস ওপেনিং জুটি ছাড়া সবাইকে নিয়েই চিন্তায় রয়েছে।

আইপিএল

দীপক হুডা কিছু ম্যাচে ভালো খেলেছেন। তাছাড়া আয়ুশ বাদনিকেও কিছু ম্যাচে ভালোই লেগেছে এই সিজনে। তবে ধারাবাহিকতার বিষয়টার অভাব দেখা যাচ্ছে টিমে। বোলিংয়ের ক্ষেত্রে আবেশ খান বা মহসীন খানের ফর্ম ভালো রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রেও ধারাবাহিকতার অভাব নজরে পড়েছে। তাই প্লেয়িং ইলেভেন নিয়ে কিছুটা সংশয়ে রয়েছেন অধিনায়ক কে এল রাহুল।

ব্যাঙ্গালোরের টিমে ফর্ম সংক্রান্ত সমস্যায় রয়েছেন অধিনায়ক এবং প্রাক্তন অধিনায়ক। তবে বিগত ম্যাচে তাদের প্রদর্শনী যথেষ্ট ভালো ছিল, সেক্ষেত্রে ধারণা করা হচ্ছে টিমের বিশেষ কোনো পরিবর্তন ঘটবে না।সব টিমের শ্রেষ্ঠ প্লেয়ারদের নিয়ে আমরা একটা সেরা একাদশ তৈরি করেছি আপনাদের জন্য।জস বাটলার এবং কুইন্টন ডি কককে সুপারহিট প্লেয়িং একাদশে ওপেনার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়েছে যা আইপিএল 2022 প্লে অফে পৌঁছানোর জন্য চারটি দলের মধ্যে থেকেই নির্বাচিত হয়েছেন। এই দুই ওপেনারই নিজ নিজ দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন।

একই সময়ে, তিন নম্বরে কেএল রাহুল রয়েছেন, যিনি ওপেনিংয়ে রয়েছেন, তবে তাঁর স্ট্রাইকরেট ছিল ধীর। এমন পরিস্থিতিতে তিন নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এই দলের উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি কক।চার নম্বরে জায়গা দেওয়া হয়েছে হার্দিক পান্ডিয়াকে, যিনি এই দলের অধিনায়কও। কারণ ১৩টি ম্যাচের মধ্যে ৯টিতেই দলকে জয় এনে দেন তিনি।

পাঁচ নম্বরে রয়েছে দীপক হুডার নাম, যিনি এই মরসুমে লখনউ দলের হয়ে ভালো ফর্মে রয়েছেন এবং 400 রান করেছেন। একই সময়ে, দীনেশ কার্তিককে ম্যাচ ফিনিশার হিসাবে স্থান দেওয়া হয়েছে, যিনি এই মরসুমে 200 এর কাছাকাছি স্ট্রাইকরেটের সাথে RCB-এর হয়ে রান করতে সক্ষম হয়েছেন। বোলার হিসেবে এই দলে জায়গা পেয়েছেন রশিদ খান, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, যুজবেন্দ্র চাহাল, মহম্মদ শামি ও হর্ষাল প্যাটেল।