২০১৬ সালের সেই মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনার স্মৃতি এখনও তাড়া করে বেড়ায় ব্রাজিল-সহ গোটা বিশ্বের ফুটবল সমর্থকদের। ব্রাজিলের চাপেকোয়েনস ক্লাবের পুরো স্কোয়াডের ভয়ানক বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল। কলম্বিয়াতে কোপা সুদামেরিকানার ফাইনাল খেলতে যাওয়ার সময় মেডেলিনের পাহাড়ে ভেঙে পড়ে বিমানটি। এই ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল ফুটবল দুনিয়াকে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বড় ক্লাবগুলি সেইসময় হাত বাড়িয়েছিল ব্রাজিলের এই ফুটবল ক্লাবটির দিকে।


তারপরে ফের একবার বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ফুটবলারদের। ফিরল চাপেকোয়েনসের সেই দুঃসহ স্মৃতি। আর এবারও সেই ব্রাজিলেই। ফুটবলের আপন দেশে ফের একবার বিমান দুর্ঘটনার শিকার হলেন ফুটবলাররাই। ব্রাজিলে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে পালমা ফুটবল ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ও চারজন ফুটবলারের। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্ব ফুটবল মহলে।
জানা গিয়েছে, গতকাল একটি ছোট বিমানে করে ব্রাজিলের একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। কিন্তু বিমান টেক অফের পরেই তা হঠাৎই ভেঙে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় ক্লাবের প্রেসিডেন্ট লুকাস মেইরা এবং চার ফুটবলার লুকাস প্রাক্সেডেস, গুইলেরমে নোয়ে, রানুলে ও মার্কাস মোলিনারির মৃত্যু হয়েছে। সেইসঙ্গে বিমানের পাইলটেরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।


দুর্ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই সেই ক্লাবের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “টোক্যানটাইনেন্স অ্যাভিয়েশন অ্যাসোসিয়েশনের রানওয়ে ছেড়ে টেক অফের পরেই রানওয়েতে ভেঙে পড়ে বিমানটি। আমরা খুব দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি দুর্ঘটনায় সবাই মারা গিয়েছেন।” পালমা শহরের কাছে একটি ছোট বিমানবন্দর এই টোক্যানটাইনেন্স অ্যাভিয়েশন অ্যাসোসিয়েশন। যদিও কী ধরনের বিমান সেটি ছিল বা ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে এখনও কিছুই জানা যায়নি।
জানা গিয়েছে, পালমা থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে গোইয়ানিয়া যাচ্ছিল বিমানটি। কোপা ভার্ডে টুর্নামেন্টের শেষ ১৬-র ম্যাচ খেলতে সেখানে আজকে ভিলা নোভার বিরুদ্ধে নামার কথা ছিল পালমার। দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্ব ব্রাজিলে বড় দল ছাড়া অপেক্ষাকৃত ছোট দলগুলিকে নিয়ে হয় এই টুর্নামেন্ট। কিন্তু সেই টুর্নামেন্টে খেলতে যাওয়াই কাল হল ফুটবলারদের।